নিজস্ব প্রতিবেদক
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার ১০ নম্বর পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কান্ত চৌকিদারের বাড়ির বাসিন্দা দক্ষিণ রাউজান পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য রাজিব দে এর বাড়ি-দোকান ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মত ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী রাজিব দে বলেন, গত ৫ আগস্ট বিকেলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা প্রথমে আমার সিএনজি গ্যারেজ ভাংচুর ও লুটপাট করে একই দিন দিবাগত রাত ২ টায় আমাদের বাড়ি ঘর লুটপাট শেষে জ্বালিয়ে দেয়। হামলার ঘটনার পর থেকে এখনও পর্যন্ত আমাদের খোঁজ খবর কেউ রাখেনি এবং পাশে এসে দাঁড়ায়নি। সর্বস্ব হারানোর পর আমরা এখন মানবেতর দিন কাটাচ্ছি। যে কোনো সময় তারা আবারও আমার পরিবারের ওপর হামলা চালাতে পারে বলে আতঙ্কে আছি। হামলায় সব কিছু মিলে আমাদের প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জায়গাজমির সব দলীল ও তিনটি সিএনজি গাড়ির কাগজপত্র পুড়ে গেছে।
এবিষয়ে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট, উপাসনালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জনমনে নিরাপত্তাবোধ জোরদারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে তিনি জোর দাবি জানান।